অনলাইন সীমান্তবাণী ডেস্ক : সরকার ও পুলিশ বাহিনীকে হুঁশিয়ার দিয়ে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, আগামী ১০ ডিসেম্বর সমাবেশে সরকার যেন পুলিশ বাহিনীকে লেলিয়ে দিয়ে কোনো বাধা সৃষ্টি না করে। ওই দিন সমাবেশ হবেই হবে।
তিনি বলেন, বিএনপি দেশ যে সমাবেশগুলো করেছে এগুলো তাদের সাংবিধানিক অধিকার। সুতরাং ঢাকায় ১০ ডিসেম্বর সমাবেশ হবেই হবে।আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাজ হচ্ছে সাংবিধানিক অধিকারকে সুরক্ষা দেওয়া। এবং তারা বিএনপি এবং দেশের জনগণকে সুরক্ষা দেবে।
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের ৫৮তম জন্মদিন উপলক্ষে শুক্রবার (২৫ নভেম্বর) ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির নসরুল হামিদ মিলনায়তনে এক আলোচনা সভায় এ কথা বলেন তিনি। জিয়া পরিষদের উদ্যোগে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের ভাবনায় ‘আগামীর বাংলাদেশ’ শীর্ষক এ আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।
আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, তারেক রহমানের আগামী দিনের ভাবনার মূলভিত্তি হল— তার বাবা শহীদ জিয়াউর রহমানের আদর্শ এবং তার মা খালেদা জিয়ার আদর্শ ধারণ করে বাংলাদেশকে নতুন করে গঠন করা। বিভিন্ন প্রাকৃতিক দুর্যোগ, করোনা পরিস্থিতি ও রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে বিশ্ব পরিস্থিতি উলটপালট করে দিয়েছে বিষয় তারেক রহমানের মাথায় রয়েছে। তিনি সব পরিস্থিতি রাজনৈতিকভাবে মোকাবিলা করে দেশকে নতুন করে গঠন করবেন। তিনি এরই মধ্যে জাতীয় সরকারের ঘোষণা দিয়েছেন, রাষ্ট্রের জন্য এটা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়।
তিনি বলেন, আমি আওয়ামী লীগের কোনো নেতার বক্তব্যের জবাব দিতে চাই না। কারণ জবাব দিতে হলে যে জায়গায় নেমে জবাব দিতে হবে সেই জায়গায় আমি নামতে পারবো না। আমি শুধু একটি কথা বলতে চাই। বিএনপি একটি রাজনৈতিক দল এ দলের জনগণের পক্ষে কাজ করা জনগণের অধিকার আদায়ের জন্য রাজপথে আন্দোলন করার সাংবিধানিক অধিকার রয়েছে। তাই সরকারকে এবং সরকারের পুলিশ বাহিনীকে হুঁশিয়ার দিয়ে বলতে চাই যে আগামী ১০ ডিসেম্বরের আন্দোলনে সরকার যেন পুলিশ বাহিনী লেলিয়ে দিয়ে বাধার সৃষ্টি না করে।
জিয়া পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল কুদ্দুস সভাপতিত্বে আরও বক্তব্য দেন— জিয়া পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান লুৎফর রহমান, মহাসচিব এমতাজ হোসেন, সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব আবদুল্লাহিল মাসুদ, সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক (উত্তর) বিএনপি সাইফুর রহমান মিহির, জাহাঙ্গীর নগর বিশ্ববিদ্যালয় কামরুল আহাসান, যুগ্ম মহাসচিব রুহুল আলম, আকতার হোসেন প্রমুখ।
Leave a Reply